“তপ্ত রৌদ্র জয়ের গল্প লিখে ফুলকপির সাদা হাসি, গ্রীষ্মজুড়ে কৃষকের মাঠে স্বপ্ন ফোটে রাশি রাশি।
কবিতার এই পঙক্তিগুলোর মতোই যেন বাস্তবে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায়। প্রচণ্ড গরম আর প্রতিকূল আবহাওয়াকেও জয় করে গ্রীষ্মকালীন নিরাপদ ফুলকপি চাষে সাফল্যের স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। কৃষির আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের ব্যবহারে বদলে যাচ্ছে চাষাবাদের চিত্র, বাড়ছে কৃষকের আগ্রহ ও আশাবাদ।
গত সোমবার (১৮ মে) উপজেলার রাউতনগর গ্রামে দিনাজপুর অঞ্চলের “টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)” এর আওতায় গ্রীষ্মকালীন উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফুলকপি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। মালিক-৫০ জাতের প্রদর্শনী প্লট ব্যবস্থাপনায় ফুলকপি চাষ করে কৃষকদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করা হয়। মাঠজুড়ে সাদা ফুলকপির সমারোহ দেখতে ভিড় করেন আশপাশের বিভিন্ন এলাকার কৃষকরাও।
রাউতনগর গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও খামারবাড়ির জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা শামীমা নাজনীন। তিনি বলেন, “বর্তমান সময়ে নিরাপদ ও বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনের গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। গ্রীষ্মকালীন ফুলকপি চাষ কৃষকদের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করবে। পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দিনাজপুর অঞ্চলের মনিটরিং ও মূল্যায়ন কর্মকর্তা আরিফ আফজাল এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম।
তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থার বিকল্প নেই। উন্নত জাতের উচ্চমূল্যের সবজি চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও কৃষিকে আরও লাভজনক করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জয় রায়, চিত্র মোহন রায়সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, কৃষি উদ্যোক্তা ও শতাধিক কৃষক। মাঠ দিবসে কৃষকদের ফুলকপির রোগবালাই দমন, নিরাপদ সার ব্যবস্থাপনা, আধুনিক পরিচর্যা পদ্ধতি এবং বাজারজাতকরণ বিষয়ে হাতে-কলমে বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয়।
স্থানীয় কৃষকদের দাবি, আগে গ্রীষ্মকালে ফুলকপি চাষ কল্পনাই করা যেত না। কিন্তু বর্তমানে উন্নত জাত ও কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় মৌসুমের বাইরেও লাভজনকভাবে ফুলকপি উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন কৃষকের আয় বাড়ছে, অন্যদিকে বাজারে নিরাপদ সবজির সরবরাহও নিশ্চিত হচ্ছে। কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রদর্শনী প্লট ও মাঠ দিবস কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি এলাকার কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। নিরাপদ সবজি উৎপাদনে রাণীশংকৈল ধীরে ধীরে একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
কবিতার এই পঙক্তিগুলোর মতোই যেন বাস্তবে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায়। প্রচণ্ড গরম আর প্রতিকূল আবহাওয়াকেও জয় করে গ্রীষ্মকালীন নিরাপদ ফুলকপি চাষে সাফল্যের স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। কৃষির আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের ব্যবহারে বদলে যাচ্ছে চাষাবাদের চিত্র, বাড়ছে কৃষকের আগ্রহ ও আশাবাদ।
গত সোমবার (১৮ মে) উপজেলার রাউতনগর গ্রামে দিনাজপুর অঞ্চলের “টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)” এর আওতায় গ্রীষ্মকালীন উচ্চমূল্যের নিরাপদ ফুলকপি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। মালিক-৫০ জাতের প্রদর্শনী প্লট ব্যবস্থাপনায় ফুলকপি চাষ করে কৃষকদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করা হয়। মাঠজুড়ে সাদা ফুলকপির সমারোহ দেখতে ভিড় করেন আশপাশের বিভিন্ন এলাকার কৃষকরাও।
রাউতনগর গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও খামারবাড়ির জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা শামীমা নাজনীন। তিনি বলেন, “বর্তমান সময়ে নিরাপদ ও বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনের গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। গ্রীষ্মকালীন ফুলকপি চাষ কৃষকদের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করবে। পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দিনাজপুর অঞ্চলের মনিটরিং ও মূল্যায়ন কর্মকর্তা আরিফ আফজাল এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম।
তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থার বিকল্প নেই। উন্নত জাতের উচ্চমূল্যের সবজি চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও কৃষিকে আরও লাভজনক করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জয় রায়, চিত্র মোহন রায়সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, কৃষি উদ্যোক্তা ও শতাধিক কৃষক। মাঠ দিবসে কৃষকদের ফুলকপির রোগবালাই দমন, নিরাপদ সার ব্যবস্থাপনা, আধুনিক পরিচর্যা পদ্ধতি এবং বাজারজাতকরণ বিষয়ে হাতে-কলমে বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয়।
স্থানীয় কৃষকদের দাবি, আগে গ্রীষ্মকালে ফুলকপি চাষ কল্পনাই করা যেত না। কিন্তু বর্তমানে উন্নত জাত ও কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় মৌসুমের বাইরেও লাভজনকভাবে ফুলকপি উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন কৃষকের আয় বাড়ছে, অন্যদিকে বাজারে নিরাপদ সবজির সরবরাহও নিশ্চিত হচ্ছে। কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রদর্শনী প্লট ও মাঠ দিবস কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি এলাকার কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। নিরাপদ সবজি উৎপাদনে রাণীশংকৈল ধীরে ধীরে একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি